গোপনে নারীদের ভিডিও করার অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আটক ও বহিষ্কার
পুলিশ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
বরিশালের উজিরপুরে গোপনে নারীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বায়জিদ হোসেন ওরফে মিঠুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। রোববার পুলিশ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন বাসাবাড়ির জানালা ও বাথরুমের বায়ু চলাচলের পথের ফাঁক দিয়ে নারীদের ভিডিও ধারণ করতেন বলে বায়জিদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। পরে এসব ভিডিও ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট নারীদের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় এবং অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে উজিরপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বায়জিদ হোসেন প্রতিবেশী এক নারী বাথরুমে গেলে মুঠোফোনে গোপনে ভিডিও করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি ওই নারী দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন। স্থানীয় লোকজন এসে তাঁকে আটক করেন। পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিক নারীর গোপন ভিডিও পাওয়া যায়। এ ঘটনায় উত্তেজিত লোকজন বায়জিদকে মারধর করেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বায়জিদকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, বায়জিদ হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোনের দুটি গ্যালারিতে এ ধরনের অসংখ্য পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, বায়জিদ হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছে। আদালতের মাধ্যমে রোববার দুপুরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।