গোপালগঞ্জের পথে পথে চেকপোস্ট, জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা
জেলা পুলিশের পাশাপাশি পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাত বার্ষিকী শনিবার। ১৫ আগস্টকে ঘিরে গোপালগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, সরকারি স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। নিয়মিত টহলও চলছে। জেলার প্রবেশপথগুলোতে বসানো হয়েছে তল্লাশিচৌকি। অন্যদিকে, টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের তিনটি ফটক ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ, এপিবিএন এবং সাদাপোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান ও পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর নেতৃত্বে যৌথ টহল শুরু হয়। এতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনের সদস্যরা অংশ নেন। টহলটি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ এলাকায় যায়। পরে শহরে ফিরে এসে তা শেষ হয়।
পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ বলেন, ১৫ আগস্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে কোনো অবনতি না ঘটে, সে জন্য বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকবেন।
জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির সদস্যরা পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।