তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে
জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার অন্তত ১৫টি চর ও গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে
ভারী বৃষ্টিতে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার অন্তত ১৫টি চর ও গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে বুধবার সকাল পর্যন্ত কোনো বাড়িঘরে পানি ঢোকেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত লালমনিরহাটের দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় ডিমলার ডালিয়ায় ১৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি বাড়ায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশা চাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী এবং জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, নদীর পানি বাড়লেও এখনো চরাঞ্চলের কোনো বাড়িঘরে পানি ওঠেনি। তবে কিছু রোপা আমনের খেত তলিয়ে গেছে।
খালিশা চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সহিদুজ্জামান সরকার বলেন, সকাল থেকে পানি বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা হয়নি। তবে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বাড়লেও উজানে ভারতের অংশে নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার অনেক নিচে আছে বলে জানিয়েছেন পাউবো ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই (গেট) খুলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
How did this article make you feel?