পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

সাবেক কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তারে গিয়ে বাধার মুখে পুলিশ, নারায়ণগঞ্জে উত্তেজনা

এ সময় কয়েক শ নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে ফয়সালকে গ্রেপ্তার না করেই ঘটনাস্থল থেকে ফিরে যায় পুলিশ।

প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদ সাগরকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার রাতে বন্দরের মদনগঞ্জ এলাকায়
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদ সাগরকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার রাতে বন্দরের মদনগঞ্জ এলাকায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার না করেই ফিরে যায় পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


এ সময় কয়েক শ নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে ফয়সালকে গ্রেপ্তার না করেই ঘটনাস্থল থেকে ফিরে যায় পুলিশ।


ফয়সাল মোহাম্মদ মদনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য গতকাল রাতে বন্দর থানার পুলিশের একটি দল মদনগঞ্জে তাঁর বাড়ি ও কার্যালয়ে যায়। এ সময় ফয়সাল তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন।


পুলিশ আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকার কয়েক শ নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ ফয়সালকে গ্রেপ্তার না করেই ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।


স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, এলাকায় ফয়সাল মোহাম্মদের জনপ্রিয়তা আছে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো ধরনের সহিংস বা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে এসেছে—এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন।


তবে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিনের দাবি, পুলিশের একটি দল ফয়সাল মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি কার্যালয় ও বাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।


স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, এলাকায় ফয়সাল মোহাম্মদের জনপ্রিয়তা আছে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো ধরনের সহিংস বা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে এসেছে—এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন।


তবে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিনের দাবি, পুলিশের একটি দল ফয়সাল মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি কার্যালয় ও বাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.