পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

মার্কিন বিশেষ দূতের কাছে স্বদেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের

সার্জিও গোর বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় তাঁরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ব্যানার-পোস্টার প্রদর্শনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন

প্রতিনিধি কক্সবাজার
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সফরের সময় নিজ দেশে ফেরার দাবিতে রোহিঙ্গারা মানববন্ধন করছেন।
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সফরের সময় নিজ দেশে ফেরার দাবিতে রোহিঙ্গারা মানববন্ধন করছেন। | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

রোহিঙ্গা সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি ও আশ্রয়শিবিরগুলোর মানবিক অবস্থা পরিদর্শনে কক্সবাজারের উখিয়া সফর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর। পরিদর্শনকালে তাঁর কাছে নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদে ফেরার দাবি জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা।


শুক্রবার মার্কিন বিশেষ দূত বিভিন্ন আশ্রয়শিবির পরিদর্শনের সময় রোহিঙ্গারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বার্তা প্রদর্শনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।


রোহিঙ্গাদের হাতে থাকা বার্তায় লেখা ছিল, ‘আপনার নিজের বাড়ি আছে, আমরা আমাদের বাড়িকে মিস করি।’ এই বার্তাসমূহের মাধ্যমে তাঁরা মিয়ানমারে নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরার কথা ব্যক্ত করেন।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সফরকে কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই রোহিঙ্গারা তাঁদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাবাসনের আকুলতা তুলে ধরেন এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।


আশ্রয়শিবির-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফরকালে মার্কিন প্রতিনিধি রোহিঙ্গা শিবিরের জীবনযাত্রা, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, শিক্ষা ও চিকিৎসা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে রোহিঙ্গা সংকট, চলমান সহায়তা কার্যক্রম এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।


রোহিঙ্গা নেতা মো. জুবায়ের বলেন, বছরের পর বছর ধরে তাঁরা অনিশ্চয়তার মধ্যে শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। তাঁদের একমাত্র চাওয়া হলো নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তাঁদের আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে, এ জন্য তাঁরা কৃতজ্ঞ। তবে কোনো মানুষই চিরকাল নিজের দেশ ছেড়ে অন্যের আশ্রয়ে থাকতে চায় না। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

How did this article make you feel?

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.