পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: নেপথ্যে যে ৫ কারণ
বিজেপি ৪০টি আসনে জয়ের পাশাপাশি আরও ১৬৫ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ১৫টি আসনে এবং এগিয়ে আছে ৬৭টিতে, অর্থাৎ, সরকার গড়ার জন্য দরকারি ১৪৮টি আসনের চেয়েও অনেক বেশি আসন পেতে যাচ্ছে বিজেপি।
Md. Ibrahim
Administrator
1 min
·
0 words
·
13
শেষ পর্যন্ত আর ঠেকিয়ে রাখা গেল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দাপটে তছনছ হয়ে গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ ১৫ বছরের সাজানো সংসার।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা চলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সব আসনের পূর্ণাঙ্গ ফল না আসলেও এটি নিশ্চিত হয়ে গেছে যে, রাজ্যে তৃণমূলের ‘দিদি’র শাসনের অবসান ঘটছে। কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা নরেন্দ্র মোদির দলই এবার সেখানে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।
সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিজেপি ৪০টি আসনে জয়ের পাশাপাশি আরও ১৬৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ১৫টি আসনে এবং এগিয়ে আছে ৬৭টিতে। অর্থাৎ, সরকার গড়ার জন্য দরকারি ১৪৮টি আসনের চেয়েও অনেক বেশি আসন পেতে যাচ্ছে বিজেপি।
এক দশক ধরে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় থাকা বিজেপি ২০২১ সালের নির্বাচনেই পশ্চিমবঙ্গে জয়ের আশা করেছিল। সেবার লক্ষ্য পূরণ না হলেও বিধানসভায় দলটির আসন ৩ থেকে বেড়ে ৭৭ হয়েছিল। এবার তাদের লক্ষ্য ছিল ১৮৫টির বেশি আসন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী দলটি সেই লক্ষ্যও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
এমন ফলাফলে বিজেপির শীর্ষ নেতারাও বেশ অবাক হয়েছেন। অভাবনীয় এই জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা চলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সব আসনের পূর্ণাঙ্গ ফল না আসলেও এটি নিশ্চিত হয়ে গেছে যে, রাজ্যে তৃণমূলের ‘দিদি’র শাসনের অবসান ঘটছে। কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা নরেন্দ্র মোদির দলই এবার সেখানে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।
সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিজেপি ৪০টি আসনে জয়ের পাশাপাশি আরও ১৬৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ১৫টি আসনে এবং এগিয়ে আছে ৬৭টিতে। অর্থাৎ, সরকার গড়ার জন্য দরকারি ১৪৮টি আসনের চেয়েও অনেক বেশি আসন পেতে যাচ্ছে বিজেপি।
এক দশক ধরে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় থাকা বিজেপি ২০২১ সালের নির্বাচনেই পশ্চিমবঙ্গে জয়ের আশা করেছিল। সেবার লক্ষ্য পূরণ না হলেও বিধানসভায় দলটির আসন ৩ থেকে বেড়ে ৭৭ হয়েছিল। এবার তাদের লক্ষ্য ছিল ১৮৫টির বেশি আসন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী দলটি সেই লক্ষ্যও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
এমন ফলাফলে বিজেপির শীর্ষ নেতারাও বেশ অবাক হয়েছেন। অভাবনীয় এই জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
১. নারী ভোট
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নারী সংরক্ষণ বিলের উদ্যোগ নারী ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর পাশাপাশি বিরোধী দলগুলো ‘নারীবিরোধী’—বিজেপির এমন প্রচার সাধারণ মানুষের মনে সাড়া জাগিয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে বিজেপির পক্ষে নারী ভোট অন্তত ৫ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নারী ও পুরুষ ভোটারের সংখ্যা প্রায় সমান।
২. সরকারি কর্মীদের মন জয়
সরকারি কর্মচারীদের ‘অধিকার হরণের’ অভিযোগ নিয়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কাঠামো কার্যকর এবং শূন্যপদ পূরণের প্রতিশ্রুতি সরকারি কর্মচারী ও চাকরিপ্রার্থীদের টেনেছে। এটি প্রায় ২০ থেকে ৫০ লাখ ভোটারের ওপর প্রভাব ফেলেছে। উল্লেখ্য, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরিজীবী ভোটারের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. কেন্দ্রের নেতৃত্বে উন্নয়ন
‘মোদি বনাম মমতা’ প্রচারই এবারের নির্বাচনে মূল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়িত না হওয়া এবং অবকাঠামোর অভাবকে হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক ডজনের বেশি জনসভার প্রতিশ্রুতি মধ্যবিত্ত ও তরুণ ভোটারদের (২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী ১ কোটি ৩১ লাখ ভোটার) ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে।
৪. নিরাপত্তা, বাহিনী মোতায়েন ও সরকারবিরোধী ক্ষোভ
রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা থাকা এই রাজ্যে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন সাধারণ ভোটারদের মনে সাহস জুগিয়েছে। এ ছাড়া আর জি কর ঘটনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচার শাসকদলের বিরুদ্ধে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের জোরালো প্রচারও ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে।
৫. ভোটার তালিকা সংশোধন ও বহিরাগত প্রসঙ্গ
ভোটার তালিকা থেকে ‘বহিরাগত’ বা ভুয়া ভোটারদের বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি সফল হয়েছিল। ‘যৌক্তিক অসংগতি’র ভিত্তিতে ২৭ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ভোটার তালিকা ‘স্বচ্ছ’ করতে বিজেপির এই প্রচারও নির্বাচনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা থাকা এই রাজ্যে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন সাধারণ ভোটারদের মনে সাহস জুগিয়েছে। এ ছাড়া আর জি কর ঘটনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচার শাসকদলের বিরুদ্ধে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের জোরালো প্রচারও ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে।
৫. ভোটার তালিকা সংশোধন ও বহিরাগত প্রসঙ্গ
ভোটার তালিকা থেকে ‘বহিরাগত’ বা ভুয়া ভোটারদের বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি সফল হয়েছিল। ‘যৌক্তিক অসংগতি’র ভিত্তিতে ২৭ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ভোটার তালিকা ‘স্বচ্ছ’ করতে বিজেপির এই প্রচারও নির্বাচনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নারী সংরক্ষণ বিলের উদ্যোগ নারী ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর পাশাপাশি বিরোধী দলগুলো ‘নারীবিরোধী’—বিজেপির এমন প্রচার সাধারণ মানুষের মনে সাড়া জাগিয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে বিজেপির পক্ষে নারী ভোট অন্তত ৫ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নারী ও পুরুষ ভোটারের সংখ্যা প্রায় সমান।
২. সরকারি কর্মীদের মন জয়
সরকারি কর্মচারীদের ‘অধিকার হরণের’ অভিযোগ নিয়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কাঠামো কার্যকর এবং শূন্যপদ পূরণের প্রতিশ্রুতি সরকারি কর্মচারী ও চাকরিপ্রার্থীদের টেনেছে। এটি প্রায় ২০ থেকে ৫০ লাখ ভোটারের ওপর প্রভাব ফেলেছে। উল্লেখ্য, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরিজীবী ভোটারের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. কেন্দ্রের নেতৃত্বে উন্নয়ন
‘মোদি বনাম মমতা’ প্রচারই এবারের নির্বাচনে মূল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়িত না হওয়া এবং অবকাঠামোর অভাবকে হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক ডজনের বেশি জনসভার প্রতিশ্রুতি মধ্যবিত্ত ও তরুণ ভোটারদের (২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী ১ কোটি ৩১ লাখ ভোটার) ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে।
৪. নিরাপত্তা, বাহিনী মোতায়েন ও সরকারবিরোধী ক্ষোভ
রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা থাকা এই রাজ্যে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন সাধারণ ভোটারদের মনে সাহস জুগিয়েছে। এ ছাড়া আর জি কর ঘটনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচার শাসকদলের বিরুদ্ধে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের জোরালো প্রচারও ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে।
৫. ভোটার তালিকা সংশোধন ও বহিরাগত প্রসঙ্গ
ভোটার তালিকা থেকে ‘বহিরাগত’ বা ভুয়া ভোটারদের বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি সফল হয়েছিল। ‘যৌক্তিক অসংগতি’র ভিত্তিতে ২৭ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ভোটার তালিকা ‘স্বচ্ছ’ করতে বিজেপির এই প্রচারও নির্বাচনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা থাকা এই রাজ্যে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন সাধারণ ভোটারদের মনে সাহস জুগিয়েছে। এ ছাড়া আর জি কর ঘটনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচার শাসকদলের বিরুদ্ধে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের জোরালো প্রচারও ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে।
৫. ভোটার তালিকা সংশোধন ও বহিরাগত প্রসঙ্গ
ভোটার তালিকা থেকে ‘বহিরাগত’ বা ভুয়া ভোটারদের বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি সফল হয়েছিল। ‘যৌক্তিক অসংগতি’র ভিত্তিতে ২৭ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ভোটার তালিকা ‘স্বচ্ছ’ করতে বিজেপির এই প্রচারও নির্বাচনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
How did this article make you feel?
Related Articles
0 Comments
No comments yet. Be the first to share your thoughts!