সামাজিক মাধ্যমে রাজনীতিবিদদের নিয়ে অপপ্রচার পরিকল্পিত: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
1 min
·
0 words
·
3
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনীতিবিদদের নিয়ে অপপ্রচার চালানো পরিকল্পিত বলে মনে করছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর পেছনে রাজনীতি ‘ধ্বংসের’ চক্রান্ত দেখছেন তিনি।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এই বিষয়ে কথা বলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির প্রয়াত সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম তারা এবং তাঁর বড় ভাই প্রয়াত রাজনীতিবিদ মাহবুবুল হক স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের কারণে দেশের রাজনীতি এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, যা খুশি তা-ই করা হচ্ছে। সমাজের কাছে রাজনীতিবিদদের সবচেয়ে নিচু ও খারাপ ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। লক্ষ করে দেখবেন, রাজনীতি ধ্বংসের একটা চক্রান্ত চলছে। এই পরিস্থিতি সুস্থ রাজনীতির জন্য ভালো লক্ষণ নয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনে করেন, যাঁরা অনলাইনে বুলিং বা হেনস্তার সঙ্গে জড়িত, তাঁরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এসব করছেন। তিনি বলেন, ‘তাঁরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা, যে প্রেক্ষাপট বা কনটেক্সট নিয়ে আসেন, এটা রাজনীতির স্বাভাবিক যে ধারা, সেটাকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।’
চার মাস আগে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরলেও তা এখনো বিপদযুক্ত বা ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে সতর্ক করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘চারপাশে পরিকল্পিত ও সচেতনভাবে একটা চেষ্টা রয়েছে—সবকিছুকে ভেঙে, অর্থহীন করে এর মাধ্যমে একটা নৈরাজ্য বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
এই মন্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকে, অর্থাৎ জুলাইয়ের পর থেকে এই চক্রান্ত করছে। তারা চায়, যাতে দেশে গণতন্ত্র না থাকে। সরকারের দায়িত্ব হবে, এসব চক্রান্তকে চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে সেই চক্রান্তকে রুখে দেওয়া।
গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, এমন একটি শক্তির উত্থান এখন দেশে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘এই শক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক হওয়া উচিত।’
বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপির কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে তা ভুল হবে।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা চক্রান্ত মোকাবিলায় দলের সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। তিনি প্রয়াত মাহবুবুল আলম তারার জনপ্রিয়তা ও আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর অবদান স্মরণ করে বলেন, ছাত্রজীবনেই তিনি তরুণসমাজের কাছে নির্ভরযোগ্য নেতা হয়ে উঠেছিলেন। ব্যবসায়িক জীবনেও তিনি রেখেছিলেন সাফল্যের ছাপ।
ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ প্রয়াত মাহবুবুল আলম ও মাহবুবুল হককে স্মরণ করে বলেন, তাঁরা ছিলেন মূল্যবোধের প্রতীক। যাঁরা নিজেদের জন্য কখনো রাজনীতি করতেন না, বরং মানুষের জন্য রাজনীতি করতেন।
মাহবুবুল হকের মেয়ে অধ্যাপক জাফরুন নাহারের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ, ফেনী জেলা বিএনপির নেতা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, শেখ ফরিদ বাহার, মেজবাহ উদ্দিন খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রয়াত দুই রাজনীতিবিদের নামে ফেনী জেলায় কোনো স্থাপনা বা সড়কের নামকরণের প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এই বিষয়ে কথা বলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির প্রয়াত সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম তারা এবং তাঁর বড় ভাই প্রয়াত রাজনীতিবিদ মাহবুবুল হক স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের কারণে দেশের রাজনীতি এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, যা খুশি তা-ই করা হচ্ছে। সমাজের কাছে রাজনীতিবিদদের সবচেয়ে নিচু ও খারাপ ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। লক্ষ করে দেখবেন, রাজনীতি ধ্বংসের একটা চক্রান্ত চলছে। এই পরিস্থিতি সুস্থ রাজনীতির জন্য ভালো লক্ষণ নয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনে করেন, যাঁরা অনলাইনে বুলিং বা হেনস্তার সঙ্গে জড়িত, তাঁরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এসব করছেন। তিনি বলেন, ‘তাঁরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা, যে প্রেক্ষাপট বা কনটেক্সট নিয়ে আসেন, এটা রাজনীতির স্বাভাবিক যে ধারা, সেটাকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।’
চার মাস আগে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরলেও তা এখনো বিপদযুক্ত বা ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে সতর্ক করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘চারপাশে পরিকল্পিত ও সচেতনভাবে একটা চেষ্টা রয়েছে—সবকিছুকে ভেঙে, অর্থহীন করে এর মাধ্যমে একটা নৈরাজ্য বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
এই মন্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকে, অর্থাৎ জুলাইয়ের পর থেকে এই চক্রান্ত করছে। তারা চায়, যাতে দেশে গণতন্ত্র না থাকে। সরকারের দায়িত্ব হবে, এসব চক্রান্তকে চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে সেই চক্রান্তকে রুখে দেওয়া।
গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, এমন একটি শক্তির উত্থান এখন দেশে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘এই শক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক হওয়া উচিত।’
বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপির কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে তা ভুল হবে।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা চক্রান্ত মোকাবিলায় দলের সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। তিনি প্রয়াত মাহবুবুল আলম তারার জনপ্রিয়তা ও আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর অবদান স্মরণ করে বলেন, ছাত্রজীবনেই তিনি তরুণসমাজের কাছে নির্ভরযোগ্য নেতা হয়ে উঠেছিলেন। ব্যবসায়িক জীবনেও তিনি রেখেছিলেন সাফল্যের ছাপ।
ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ প্রয়াত মাহবুবুল আলম ও মাহবুবুল হককে স্মরণ করে বলেন, তাঁরা ছিলেন মূল্যবোধের প্রতীক। যাঁরা নিজেদের জন্য কখনো রাজনীতি করতেন না, বরং মানুষের জন্য রাজনীতি করতেন।
মাহবুবুল হকের মেয়ে অধ্যাপক জাফরুন নাহারের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ, ফেনী জেলা বিএনপির নেতা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, শেখ ফরিদ বাহার, মেজবাহ উদ্দিন খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রয়াত দুই রাজনীতিবিদের নামে ফেনী জেলায় কোনো স্থাপনা বা সড়কের নামকরণের প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
How did this article make you feel?
Related Articles
বিশ্ব
জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে ট্রাম্পের নতুন শুল্কের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
Jun 05, 2026 · 1 min
খেলা
আরেকটি বিশ্বকাপের জন্য যেভাবে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন মেসি
Jun 05, 2026 · 1 min
বিনোদন
মা হলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলি
Jun 05, 2026 · 1 min
জেলা
চট্টগ্রামে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে যুবলীগের মিছিল, ভিডিও ভাইরাল
Jun 05, 2026 · 1 min
0 Comments
No comments yet. Be the first to share your thoughts!