পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

বসতঘরে একযোগে ৩০টি ককটেল বিস্ফোরণ, পরিবারের সদস্যরা পলাতক

এতে ঘরটির দেয়াল ধসে গেছে এবং টিনের চাল উড়ে গেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে একটি বাড়িতে মজুত রাখা বেশ কয়েকটি ককটেল একযোগে বিস্ফোরিত হয়। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নয়রশিয়া গ্রামে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে একটি বাড়িতে মজুত রাখা বেশ কয়েকটি ককটেল একযোগে বিস্ফোরিত হয়। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নয়রশিয়া গ্রামে | ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি বাড়ির শয়নকক্ষে ২৫–৩০টি ককটেল একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে ঘরটির দেয়াল ধসে গেছে এবং টিনের চাল উড়ে গেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


সোমবার রাত আটটার দিকে উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নের নয়রশিয়া (মুসা মাওলানাপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাজির আহমেদ বলেন, মাছ ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার বাড়ির একটি শয়নকক্ষে ককটেলগুলো রাখা ছিল। সোমবার রাত আটটার দিকে সেগুলো একযোগে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। ঘটনার পর বাড়ির লোকজন পলাতক আছেন।


এলাকাটি সীমান্তবর্তী ও সন্ত্রাসপ্রবণ উল্লেখ করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, রাতে পদ্মা নদী পার হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সেখানে রওনা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে ককটেলগুলো মজুত করা হয়েছিল।


ইউপি চেয়ারম্যান নাজির আহমেদ বলেন, বন্যার সময় পদ্মা নদীর পানি এসে সীমান্তবর্তী জোহরপুর মাঠপাড়া কালভার্টসংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর একটি মাছের ঘের তৈরি হয়। ওই ঘেরকে কেন্দ্র করে তিন-চার দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে ইয়াহিয়া, সালাম ও মো. বাবু এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন আবদুস সালাম (কালু)।


নাজির আহমেদ আরও বলেন, মাছের ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রতি বছরই উত্তেজনা তৈরি হয়। কয়েক বছর আগে এ বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। এবারও উত্তেজনার বিষয়টি উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় উত্থাপন করা হয়েছিল এবং লিখিত প্রতিবেদনও দেওয়া হয়েছিল। ওই জলাশয়ে মাছ ধরার বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.