বাংলাদেশকে ২৮৬০ জনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অনুরোধ ভারতের, ফেরতের প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
1 min
·
0 words
·
12
ভারত সরকার বাংলাদেশের কাছে ২ হাজার ৮৬০ জনের নাগরিকত্ব যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছে। নয়াদিল্লির দাবি, তাঁরা ‘বাংলাদেশের নাগরিক’ এবং বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। নাগরিকত্ব নিশ্চিত হলে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শত শত কথিত ‘বাংলাদেশি অভিবাসী’ যাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা মনে করি, তারা বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো জবাব পাইনি।'
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘ভারতে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিক, যদি তাঁরা অবৈধভাবে এখানে থাকেন, বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তিরাও এর অন্তর্ভুক্ত, তাঁদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের আইন রয়েছে এবং সেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি জানান, অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কারের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ভারত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য বাংলাদেশের কাছে পাঠায়। বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাই করার পর বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এ ধরনের বহু অনুরোধ এখনো বাংলাদেশের পক্ষের কাছে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করি এবং প্রত্যাশা করি, এগুলো দ্রুত সম্পন্ন হবে, যাতে ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বহিষ্কার কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।’ ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে আসছেন।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছে। এর আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করা, বিভিন্ন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে প্রায় ৪০০ অনথিভুক্ত বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে পরিচালিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) কার্যক্রমও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর ফলে অনেকেই সীমান্ত এলাকায় চলে আসছেন।
চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকার সঙ্গে অবৈধ অভিবাসন ইস্যু উত্থাপন করে। তখন ভারত আশা প্রকাশ করেছিল, বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করবে, যাতে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি আলোচনায় আসে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার এক দিন পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে উদ্ধৃত করে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বলা হয়, সীমান্তবর্তী রাজ্যটিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যদি ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক মানুষ ঠেলে পাঠানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টি দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে নিয়মিত আলোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকও রয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম, সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কমানো এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশ সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাসহ (কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান) বিভিন্ন ব্যবস্থা চালু করেছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অবৈধ যাতায়াত ঠেকাতে দুই দেশ যৌথভাবে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজেও সহযোগিতা করছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শত শত কথিত ‘বাংলাদেশি অভিবাসী’ যাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা মনে করি, তারা বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো জবাব পাইনি।'
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘ভারতে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিক, যদি তাঁরা অবৈধভাবে এখানে থাকেন, বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তিরাও এর অন্তর্ভুক্ত, তাঁদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের আইন রয়েছে এবং সেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি জানান, অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কারের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ভারত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য বাংলাদেশের কাছে পাঠায়। বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাই করার পর বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এ ধরনের বহু অনুরোধ এখনো বাংলাদেশের পক্ষের কাছে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করি এবং প্রত্যাশা করি, এগুলো দ্রুত সম্পন্ন হবে, যাতে ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বহিষ্কার কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।’ ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে আসছেন।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছে। এর আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করা, বিভিন্ন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে প্রায় ৪০০ অনথিভুক্ত বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে পরিচালিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) কার্যক্রমও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর ফলে অনেকেই সীমান্ত এলাকায় চলে আসছেন।
চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকার সঙ্গে অবৈধ অভিবাসন ইস্যু উত্থাপন করে। তখন ভারত আশা প্রকাশ করেছিল, বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করবে, যাতে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি আলোচনায় আসে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার এক দিন পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে উদ্ধৃত করে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বলা হয়, সীমান্তবর্তী রাজ্যটিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যদি ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক মানুষ ঠেলে পাঠানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টি দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে নিয়মিত আলোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকও রয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম, সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কমানো এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশ সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাসহ (কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান) বিভিন্ন ব্যবস্থা চালু করেছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অবৈধ যাতায়াত ঠেকাতে দুই দেশ যৌথভাবে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজেও সহযোগিতা করছে।
How did this article make you feel?
Related Articles
বাংলাদেশ
পাঁচবিবি সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার, পুশ ইন ঠেকাতে মাইকিং
Jun 06, 2026 · 1 min
1 shared tag
বাংলাদেশ
শিগগিরই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন দীনেশ ত্রিবেদী, নিলেন পরিচয়পত্র
Jun 05, 2026 · 1 min
1 shared tag
বিশ্ব
ইরান যুদ্ধের আড়ালে আজারবাইজানে ইসরায়েলি সেনার গোপন আস্তানা
Jun 05, 2026 · 1 min
বিশ্ব
জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে ট্রাম্পের নতুন শুল্কের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
Jun 05, 2026 · 1 min
0 Comments
No comments yet. Be the first to share your thoughts!