নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন ২০২৩ সালের ১ জুলাই
থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ
করেছে। এতে ঘটনার বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৪০টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব
সুপারিশ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে এবং কারা করবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো
বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও সরকারি কর্মকর্তারা মনে করেন, সুপারিশ
বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে জাতিসংঘ এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং সরকার জানতো যে এতে সুপারিশমালা থাকবে। তিনি বলেন, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নাগরিক অধিকার বিষয়ে সরকার আগেই কাজ শুরু করেছে।
সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য গঠিত সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে কাজ করছে। তাদের সুপারিশের সঙ্গে জাতিসংঘের সুপারিশের মিল রয়েছে। তাই এসব বাস্তবায়িত হলে জাতিসংঘের সুপারিশের একটি বড় অংশই পূরণ হবে।’জাতিসংঘের ৪০টি সুপারিশ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে জাতিসংঘ এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং সরকার জানতো যে এতে সুপারিশমালা থাকবে। তিনি বলেন, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নাগরিক অধিকার বিষয়ে সরকার আগেই কাজ শুরু করেছে।
সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য গঠিত সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে কাজ করছে। তাদের সুপারিশের সঙ্গে জাতিসংঘের সুপারিশের মিল রয়েছে। তাই এসব বাস্তবায়িত হলে জাতিসংঘের সুপারিশের একটি বড় অংশই পূরণ হবে।’
জাতিসংঘের ৪০টি সুপারিশ
জবাবদিহি ও বিচার ব্যবস্থা
১৩টি সুপারিশ
পুলিশ ও নিরাপত্তা বিভাগ
১০টি সুপারিশ
নাগরিক পরিসর
৭টি সুপারিশ
রাজনৈতিক ব্যবস্থা
৪টি সুপারিশ
অর্থনৈতিক সুশাসন
৬টি সুপারিশ
সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সংস্কার একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশেই সংস্কার সহজ ছিল না। এটি সময়সাপেক্ষ ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।’
প্রতিবেদনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য কিছু ব্যক্তিকে দায়ী করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে গ্রেপ্তার হলেও, কয়েকজন বিদেশে পালিয়ে গেছেন। অভিযুক্তদের ফেরত আনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, ‘যদি নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নেন, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’