প্রতিনিধি ঈশ্বরদী

আজাদ হোসেন খোকন | ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনাকে বহন করা ট্রেনে হামলার মামলায় খালাসপ্রাপ্ত বিএনপির কর্মী আজাদ হোসেন খোকন মারা গেছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের কাচারিপাড়ার বাড়িতে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।

আজ বুধবার বেলা ২টার দিকে শহরের পশ্চিম টেংরি কাচারী পাড়া ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে পিয়ারাখালী জান্নাতুল আমান কবরস্থানে দাফন করা হয়। এতে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শুরুর আগে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু, সাবেক সভাপতি এ কে এম আখতারুজ্জামান, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলটির জেলা কমিটির আহবায়ক ও হাবিবুর রহমান হাবিব এবং জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল প্রয়াত খোকনের জন্য দোয়া কামনাসহ কোনো অপরাধ বা ভুলত্রুটি করে থাকলে মাফ করে দেওয়ার আবেদন জানান।

খোকন শহরের কাচারিপাড়ার পিয়ার আলী মণ্ডলের ছেলে। ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনাকে বহন করা ট্রেনে হামলার মামলায় তিনি ২০১৯ সালে পাবনা আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার ৪৭ নেতাকর্মীর সঙ্গে তিনিও খালাস পান।  

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে জাকারিয়া পিন্টু জানিয়েছেন, 'খোকন ছিল দলের এক নিবেদিতপ্রাণ সদস্য। তাঁর মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ পাঁচ বছর তিনি শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমরা ৪৭ জন নেতা-কর্মী মুক্তি পেলেও, খোকনের চলে যাওয়া আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী ক্ষত রেখে গেছে।'