প্রতিনিধি পাবনা
![]() |
আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল ওহাবকে ছিনিয়ে নেওয়ার সময়ের দৃশ্য | ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত |
পুলিশের গাড়ি থামিয়ে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। রোববার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
ছিনিয়ে নেওয়া ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম আবদুল ওহাব। তিনি সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি মথুরাপুর স্কুল গেট এলাকার বাসিন্দা। জেলা শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলার আসামি তিনি।
সুজানগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের ভিডিও ফুটেজে দেখা যাবে, তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে। এ ছাড়া অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
গতকাল বিকেলে উপজেলার মথুরাপুর স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় স্থানীয় লোকজন দৌড়ে এসে গাড়ির গতিরোধ করেন। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ওহাবকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সুজানগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজাহার আলী বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, আসরের নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন আবদুল ওহাব। এ সময় পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। মুহূর্তেই তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মথুরাপুর, নারায়ণপুর, ভবানীপুর, বলরামপুরসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক শ লোক জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি থামিয়ে ওহাবকে ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন
পাবনায় পুলিশের গাড়ি থামিয়ে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনতাই |