নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
![]() |
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শেখ হাসিনা | গ্রাফিক:পদ্মা ট্রিবিউন |
ভারতের দিল্লি থেকে আমেরিকায় আয়োজিত এক আলোচনাসভায় ভার্চুয়াল বক্তৃতা করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সভায় তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, 'ইউনূসের পরিকল্পনার কারণে বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।' তিনি আরও দাবি করেন, 'ইউনূস ছাত্র সমন্বয়কদের নিয়ে সুনিপুণ পরিকল্পনার মাধ্যমে এই হত্যাযজ্ঞের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর পেছনে তারেক রহমানও ভূমিকা রেখেছেন, যিনি লন্ডন থেকে সরকারের পতন ঘটাতে সহিংসতার পক্ষে নির্দেশ দিয়েছেন।' খবর- ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
ভার্চুয়াল বক্তৃতায় তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, ধর্মস্থান এবং ইসকনের উপর হামলারও তীব্র নিন্দা জানান।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরও বলেন, 'আজ আমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তোলা হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ড. ইউনূস এবং তার সহযোগীরাই এই সহিংসতার নেপথ্যে রয়েছেন।'
সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থান করছেন। তার এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, 'আমি গণহত্যা চাইনি। যদি ক্ষমতায় থাকতে চাইতাম, তবে দেশের মানুষ নির্বিচারে মরতে থাকত। যখন দেখলাম মানুষের মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না, তখন সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমার নিরাপত্তারক্ষীরা প্রতিরোধ করতে গেলে গণভবনে রক্তপাত হতো। আমি সেটি চাইনি। তাই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে দিল্লি চলে এসেছি।'
ভার্চুয়াল বক্তৃতায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর চালানো নির্যাতন ও তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, 'এগুলো পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে, যা দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করছে।'